হেলদি লিভার টিপস কিভাবে ব্যস্ত অফিস লাইফে লিভার সুস্থ রাখা যায়
সর্বশেষ আপডেট:
স্বাস্থ্যকর লিভার টিপস: যারা ডেস্ক জব করছেন তাদের লিভারের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকা, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং ভুল খাদ্যাভ্যাস লিভারের ক্ষতি করে। এমন ব্যস্ত অফিস জীবনে লিভার সুস্থ রাখতে এই টিপসগুলো মেনে চলা জরুরি।

স্বাস্থ্যকর লিভার টিপস: বর্তমান সময়ে লিভার সংক্রান্ত সমস্যা খুবই সাধারণ হয়ে উঠছে। এর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি সেইসব লোকেদের মধ্যে যারা শারীরিক পরিশ্রম কম করে। এমতাবস্থায়, এই রোগটি ডেস্ক জব করা লোকদের মধ্যে একটি খুব সাধারণ রোগ হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অফিসের ব্যস্ততার মধ্যেও লিভারের যত্নকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমলে ফ্যাটি লিভার হয়। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাবই এর প্রধান কারণ। সময়মতো মনোযোগ না দেওয়া হলে এই সমস্যা মারাত্মক রূপ নেয় এবং লিভারের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে।
জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন বলে যে এই ছোট অভ্যাসগুলি গ্রহণ করে আমরা কেবল ফ্যাটি লিভার এড়াতে পারি না বরং আমাদের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারি। ব্যস্ত জীবনযাপনেও স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া সম্ভব, শুধু প্রয়োজন একটু সচেতনতা এবং নিয়মিত প্রচেষ্টা। ভালো কথা হলো কিছু সহজ অভ্যাসের মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা যায় এবং লিভারকে সুস্থ রাখা যায়।
খুব বেশি বসবেন না
ন্যাশনাল হেলথ মিশন অনুযায়ী, লিভারকে সুস্থ রাখতে প্রথমেই এক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকবেন না। উঠুন এবং প্রতি এক বা দুই ঘন্টা হাঁটাহাঁটি করুন। অল্প হাঁটার বিরতি নিন এবং হালকা স্ট্রেচিং করুন। এটি শরীরে রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং লিভারে জমে থাকা চর্বি কমাতে সাহায্য করে। অফিসের চেয়ারে বসে বা কাঁধের ব্যায়াম করার সময় আপনার পা হালকাভাবে নাড়ানোও উপকারী প্রমাণিত হতে পারে।
স্বাস্থ্যকর খাবার খান
দ্বিতীয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল একটি সুষম এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্য। আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসবজি, মৌসুমি ফল এবং গোটা শস্য অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না। ভাজা, তৈলাক্ত, মশলাদার খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন। কোল্ড ড্রিংকস এবং জাঙ্ক ফুডের মতো চিনি ও চর্বিযুক্ত পানীয়ও লিভারের জন্য ক্ষতিকর। পরিবর্তে, বেশি করে পানি পান করুন এবং সাধারণ বাড়িতে রান্না করা খাবারকে অগ্রাধিকার দিন।
নিয়মিত চেকআপ করান
তৃতীয় সহজ সমাধান হল নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সময় সময় লিভার ফাংশন টেস্ট (LFT) এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করুন। প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে ফ্যাটি লিভার সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওজন নিয়ন্ত্রণ করা এবং প্রয়োজনে ওষুধ সেবন করাও সহায়ক।
লেখক সম্পর্কে

শারদা সিং নিউজ 18 হিন্দির সিনিয়র সাব এডিটর হিসাবে যুক্ত। তিনি স্বাস্থ্য, সুস্থতা এবং জীবনধারা সম্পর্কিত এবং ডাক্তারদের সাথে সাক্ষাৎকারের উপর ভিত্তি করে গবেষণা ভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরিতে বিশেষজ্ঞ। গত ৫ বছর ধরে শারদা মিডিয়া…আরো পড়ুন
দাবিত্যাগ: এই সংবাদে দেওয়া ওষুধ/ওষুধ এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কিত পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের সাথে কথোপকথনের উপর ভিত্তি করে। এটি সাধারণ তথ্য, ব্যক্তিগত পরামর্শ নয়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই যেকোনো কিছু ব্যবহার করুন। লোকাল-18 এই ধরনের কোনো ব্যবহারের কারণে কোনো ক্ষতির জন্য দায়ী থাকবে না।