শীতকালে সাইনাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের এই আয়ুর্বেদিক টিপস অনুসরণ করা উচিত – উত্তরাখণ্ড নিউজ
সর্বশেষ আপডেট:
সাইনাসের বিষয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: সর্দি সেরে যাওয়ার পরেও যদি আপনি শরীরে ক্রমাগত ক্লান্তি এবং দুর্বলতা অনুভব করেন, তবে এটি হালকাভাবে গ্রহণ করা ব্যয়বহুল প্রমাণিত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সাইনোসাইটিস সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষা করা ছোট লক্ষণগুলি কীভাবে বড় সমস্যার কারণ হতে পারে তা বলা হয়েছে।
দেরাদুন: শীতের মৌসুমে তাপমাত্রা কমলে বাতাসে দূষণের কণা বেড়ে যায়, যা সাইনাসের সমস্যা সৃষ্টির প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাইনাস আসলে অনুনাসিক প্যাসেজের চারপাশের ঝিল্লির একটি প্রদাহ, যাকে ‘সাইনুসাইটিস’ও বলা হয়। এই প্যাসেজে শ্লেষ্মা জমে গেলে শ্বাস নিতে প্রচণ্ড অসুবিধা হয়। এই অবস্থা শুধু শারীরিক অস্বস্তিই তৈরি করে না, দৈনন্দিন কাজকর্মেও বাধা দেয়।
সাইনাস কী তা কীভাবে সনাক্ত করবেন?
আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক সিরাজ সিদ্দিকী বলেন, সংক্রমণের উপসর্গের কথা বললে আক্রান্ত ব্যক্তিকে প্রায়ই প্রচণ্ড মাথাব্যথা, নাক বন্ধ হওয়া, মুখে ভারি ভাব এবং ক্রমাগত নাক দিয়ে পানি পড়ার মতো সমস্যায় পড়তে হয়। কিছু ক্ষেত্রে, শ্লেষ্মা এবং জ্বরের রঙ পরিবর্তনও এর লক্ষণ হতে পারে। এই উপসর্গগুলি যদি সময়মতো যত্ন না নেওয়া হয়, তবে আপাতদৃষ্টিতে এই সাধারণ সমস্যাটি একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগে রূপ নিতে পারে, যার কারণে চোখ এবং মস্তিষ্কের চারপাশে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
সাইনাসের জন্য সহজ ঘরোয়া প্রতিকার
ডাঃ সিরাজ সিদ্দিকী ব্যাখ্যা করেছেন যে ঘরোয়া প্রতিকারগুলি সাইনাস থেকে মুক্তি পেতে খুব কার্যকর প্রমাণিত হয়। ‘স্টিম নেওয়া’ এই সমস্যার সবচেয়ে সহজ এবং সবচেয়ে সঠিক সমাধান। গরম পানির ভাপ খেলে নাসিকা খুলে যায় এবং জমে থাকা শ্লেষ্মা ঢিলা হয়ে বেরিয়ে আসে। এছাড়াও, নাক অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার করা যেতে পারে নিয়মিত কুসুম গরম জল এবং যোগ ব্যায়াম যেমন ‘নেতি ক্রিয়া’, যা ফোলা কমাতে সহায়ক।
তিনি বলেন, খাদ্যাভাসের পরিবর্তনও সাইনাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় ভূমিকা পালন করে। শীতকালে, আদা, তুলসী, কালো গোলমরিচ এবং হলুদের মতো অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ মশলা খাওয়া উচিত। ভেষজ চা বা ক্বাথ পান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সাইনাসের প্রদাহ কমায়। এর সাথে, শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ যাতে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ঝিল্লিতে আর্দ্রতা থাকে। তাই দূষণ ও ঠান্ডা বাতাস এড়াতে সাইনাসের রোগীদের মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। ঘরোয়া প্রতিকারের পরেও যদি ব্যথা না কমে বা শ্বাসকষ্টে প্রচণ্ড অসুবিধা হয়, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সঠিক সময়ে সতর্কতা ও পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন করলে আপনি এই শীত মৌসুমে সাইনাসের প্রকোপ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন এবং সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন।
লেখক সম্পর্কে

কাব্য মিশ্র আঞ্চলিক বিভাগে (উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা এবং হিমাচল প্রদেশ) সিনিয়র সাব এডিটর হিসাবে News18 হিন্দির সাথে কাজ করছেন। 7 বছরেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতায় সক্রিয়। সে তার জে শুরু করেছে…আরো পড়ুন