কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়ঃ কোষ্ঠকাঠিন্যের সময় এইভাবে শসা খান, কোষ্ঠকাঠিন্য সহ এই সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পাবেন!

সর্বশেষ আপডেট:

যেভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন: আয়ুর্বেদে পেট সংক্রান্ত রোগের অনেক চিকিৎসা আছে, যা হজম ও ত্বকের জন্য উপকারী হতে পারে। পেট ভরে খাবার খেলে এমনই উপশম। আসুন এটি সম্পর্কে আরও জানি …

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়: গ্রীষ্ম এলেই বাজারে শসার জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। শসা শুধু শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে না, আয়ুর্বেদ এবং আধুনিক বিজ্ঞান উভয়ের চোখেই এটি স্বাস্থ্যের ধন। আপনি যদি দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যে সমস্যায় পড়ে থাকেন বা আপনার মুখের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা চান, তাহলে সঠিক উপায়ে শসা খাওয়াটা বরের চেয়ে কম নয়। আসুন জেনে নেই শসা খাওয়ার বিশেষ উপায় যা আপনার স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য উভয়ই বাড়িয়ে দেবে…

এইভাবে শসা খান আপনি কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন হিন্দিতে: গ্রীষ্ম এলেই বাজারে শসার জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। শসা শুধু শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে না, আয়ুর্বেদ এবং আধুনিক বিজ্ঞান উভয়ের চোখেই এটি স্বাস্থ্যের ধন। আপনি যদি দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যে সমস্যায় পড়ে থাকেন বা আপনার মুখের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা চান, তাহলে সঠিক উপায়ে শসা খাওয়াটা বরের চেয়ে কম নয়। আসুন জেনে নেই শসা খাওয়ার বিশেষ উপায় যা আপনার স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য উভয়ই বাড়িয়ে দেবে…

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে উপশমের জন্য: খোসা সহ খাওয়া: লোকেরা প্রায়শই খোসা ছাড়ানো অন্ত্রে খায়, তবে এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার একটি প্রধান কারণ। খোলা অন্ত্র অদ্রবণীয় ফাইবার সমৃদ্ধ। এই ফাইবার অন্ত্র পরিষ্কার এবং মল নরম করতে সাহায্য করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে উপশমের জন্য: খোসা সহ খাওয়া: লোকেরা প্রায়শই খোসা ছাড়ানো অন্ত্রে খায়, তবে এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার একটি প্রধান কারণ। খোলা অন্ত্র অদ্রবণীয় ফাইবার সমৃদ্ধ। এই ফাইবার অন্ত্র পরিষ্কার এবং মল নরম করতে সাহায্য করে।

সেবনের পদ্ধতি: শসা ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়াই গোল টুকরো করে কেটে নিন। এতে কালো লবণ ও সামান্য ভাজা সেলারি মিশিয়ে দুপুরের খাবারের আধা ঘণ্টা আগে খান। সেলারি এবং কালো লবণ শসার শীতল প্রভাবের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং হজমের আগুনকে তীব্র করে।

সেবনের পদ্ধতি: শসা ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়াই গোল টুকরো করে কেটে নিন। এতে কালো লবণ ও সামান্য ভাজা সেলারি মিশিয়ে দুপুরের খাবারের আধা ঘণ্টা আগে খান। সেলারি এবং কালো লবণ শসার শীতল প্রভাবের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং হজমের আগুনকে তীব্র করে।

হিসাবে News18 যোগ করুন
Google-এ পছন্দের উৎস

হাইড্রেশন এবং ত্বকের জন্য: ‘Cucumber Detox Water’: শসাতে প্রায় 95% জল থাকে। যখন আমরা এটিকে পানিতে মিশিয়ে পান করি, তখন এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়, যা ব্রণ কমায় এবং ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করে।

চোখের ফোলাভাব ও ডার্ক সার্কেলের জন্য: শুধু খাওয়াই নয়, শসার বাহ্যিক ব্যবহারও জাদুকরী। 10 মিনিটের জন্য আপনার চোখের উপর দুটি ঠান্ডা স্লাইস শসা রাখুন। এতে উপস্থিত অ্যাসকরবিক অ্যাসিড এবং ক্যাফেইক অ্যাসিড তাৎক্ষণিকভাবে চোখের ফোলাভাব কমায়।

রাতে খাওয়া এড়িয়ে চলুন: আয়ুর্বেদ অনুসারে, রাতে শসা খেলে কফ দোষ বাড়তে পারে এবং হজমের সমস্যা হতে পারে। এটা সবসময় দিনের বেলা খাবেন। শসা খাওয়ার পরপরই পানি পান এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে শরীরের পিএইচ লেভেল খারাপ হতে পারে এবং ডায়রিয়া হতে পারে। দাবিত্যাগ: এই সংবাদে দেওয়া তথ্য এবং পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের সাথে কথোপকথনের উপর ভিত্তি করে। এটি সাধারণ তথ্য, ব্যক্তিগত পরামর্শ নয়। অতএব, কোন পরামর্শ গ্রহণ করার আগে, অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন। কোন ক্ষতির জন্য নিউজ-18 দায়ী থাকবে না।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *