ind vs pak সেমি সংঘর্ষ: সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান! ম্যাচটি কত তারিখে হবে


নয়াদিল্লি। যদিও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচগুলি একতরফা হয়ে উঠছে এবং এখন তাদের মধ্যে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা নেই, তবুও এটি অস্বীকার করা যায় না যে ভক্তরা চান যে ভারতীয় দল যতবারই পাকিস্তানকে পরাজিত করে মাঠে তাদের সম্মান দেয়, ততই ভাল। কলম্বোতে ভারত যখন পাকিস্তানকে পরাজিত করেছিল, তখন মনে হয়েছিল যে এটি শেষ হয়ে গেছে কিন্তু তা নয়, পাকিস্তান সুপার 8-এ আরেকটু ভালো খেললে আবারও রিম্যাচ হতে পারে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে যখন ভারত ও পাকিস্তানের দল একে অপরের মুখোমুখি হয়, তখন এটি কেবল একটি ক্রিকেট ম্যাচ নয়, আবেগের একটি তরঙ্গ যা সীমানার উভয় পাশে লক্ষ লক্ষ হৃদয়কে একসাথে স্পন্দিত হতে বাধ্য করে। একই উত্তেজনাপূর্ণ স্ক্রিপ্ট আবারও লেখা হচ্ছে চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে, যেখানে ‘মাদার অফ অল ব্যাটলস’-এর দ্বিতীয় অধ্যায় দেখা যাবে সেমিফাইনালের আকারে।

আরেক মহাযুদ্ধের আওয়াজ

টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের সমীকরণ এবং সুপার-৮-এর কাঠামো সেমিফাইনালে আবারও মুখোমুখি হতে পারে ক্রিকেট বিশ্বের এই দুই বড় প্রতিপক্ষের সম্ভাবনা। বর্তমানে উভয় দলই সুপার-৮ এর বিভিন্ন পুলে (গ্রুপ) নিজেদের জায়গা ধরে রাখছে। ভারত যেখানে গ্রুপ-১-এ নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবে, পাকিস্তানকে গ্রুপ-২-এ নিজেদের অবস্থান মজবুত করার চেষ্টা করতে দেখা যাবে। নিয়ম অনুসারে, যদি একটি দল তার গ্রুপে শীর্ষে থাকে এবং অন্য দল তার গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে থাকে, তাহলে সেমিফাইনালে তারা একে অপরের মুখোমুখি হবে তা প্রায় নিশ্চিত।

সুপার -8 এর দাবাবোর্ড: বিভিন্ন পথ, একটি গন্তব্য

আইসিসি সুপার-৮-এর গ্রুপগুলোকে এমনভাবে ভাগ করেছে যাতে ভারত ও পাকিস্তান ফাইনালের আগে শুধুমাত্র সেমিফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পায়। এই কৌশলগত বিচ্ছেদ ভক্তদের মধ্যে সাসপেন্স বাড়িয়ে দিয়েছে। ভারত যখন তার ভারসাম্যপূর্ণ ব্যাটিং এবং তীক্ষ্ণ বোলিংয়ের ভিত্তিতে সেমিফাইনালের দিকে এগোচ্ছে, পাকিস্তানও বিপর্যয় ঘটাতে পারদর্শী। উভয় দলই তাদের নিজ নিজ পুলে শীর্ষে থেকে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রাখে, তবে গাণিতিক সমীকরণগুলি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে সেমিফাইনালে তাদের পথ একে অপরকে অতিক্রম করতে পারে। একটি বিষয় স্পষ্ট যে ভারত যদি শীর্ষে যোগ্যতা অর্জন করে তবে সেমিটি 4 মার্চ কলম্বোতে খেলা হবে এবং ভারত যদি দ্বিতীয় স্থানে যোগ্যতা অর্জন করে তবে এটি 5 তারিখে খেলা হবে।

2011 সালের তাজা স্মৃতি: মোহালির সেই ঐতিহাসিক দিন

সেমিফাইনালে ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হলে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবে। 2011 সালের ওডিআই বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল, যেটি মোহালির মাঠে খেলা হয়েছিল, তা এখনও ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে তাজা। সেদিন শুধু ক্রিকেটের স্তরই তুঙ্গে ছিল না, উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি এটিকে ‘ক্রিকেট কূটনীতির’ কেন্দ্রে পরিণত করেছিল। শচীন টেন্ডুলকারের সাহসী ইনিংস এবং ভারতীয় বোলারদের নির্ভুল আক্রমণ ভারতকে জয়ের পথে নিয়ে যায়। সেই জয় টিম ইন্ডিয়ার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথ পরিষ্কার করে দিল।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শুধু একটি খেলা নয়, ক্রিকেটের উদযাপন। সুপার-8-এর এই লুকোচুরির পরে, যদি উভয় দল সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়, তবে এটি কেবল এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় ম্যাচই নয়, বছরের সবচেয়ে বেশি দেখা বৈশ্বিক ইভেন্টেও পরিণত হবে। ভক্তরা এখন শুধু দেখার অপেক্ষায় আছে কি ইতিহাস আবার মোহালির রোমাঞ্চের পুনরাবৃত্তি ঘটবে নাকি নতুন অধ্যায় লেখা হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *