অভিভাবকদের সতর্কতা: খেলাধুলার নামে ফোন? শিশুদের মধ্যে পর্দার আসক্তি বাড়ানোর বিষয়ে ডাক্তারের সতর্কবার্তা
সর্বশেষ আপডেট:
আগ্রা। ছোট শিশুদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান মোবাইল আসক্তি এখন উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। খেলার সময় শুরু হওয়া এই অভ্যাস ধীরে ধীরে মানসিক সমস্যায় রূপ নিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শিশুদের আচার-আচরণ, খাদ্যাভ্যাস ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
আগ্রা। উত্তরপ্রদেশের আগ্রায় ছোট শিশুদের মধ্যে মোবাইল আসক্তি দ্রুত বাড়ছে। প্রথম দিকে শিশুরা খেলার সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করলেও ধীরে ধীরে এই অভ্যাস নেশায় পরিণত হয়। মোবাইল না পেয়ে শিশুরা কান্নাকাটি শুরু করে, খিটখিটে হয়ে ওঠে এবং কখনও কখনও খাবার এড়িয়ে যায়। চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু প্রয়োজন অনুযায়ী শিশুদের মোবাইল ফোন দেওয়া উচিত, তা না হলে এই অভ্যাস মানসিক রোগে রূপ নিতে পারে।
বাবা-মায়ের ছোট ভুল বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে
আগ্রার সিনিয়র সাইকিয়াট্রিস্ট ডাঃ দীনেশ সিং রাঠোরের মতে, অনেক সময় বাবা-মা তাদের সন্তানদের মোবাইল ফোন দেন কারণ তারা তাদের কাজে ব্যস্ত থাকে। এখান থেকেই শিশু মোবাইলে অভ্যস্ত হতে শুরু করে। অনবরত ফোন ব্যবহার করা, মোবাইল না পেলে নার্ভাস বা অস্থির বোধ করা, বারবার ফোন চেক করা, এসবই মানসিক আসক্তির লক্ষণ। এই ধরনের ক্ষেত্রে, রোগীদের পরামর্শ দেওয়া হয় এবং অন্যান্য কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এমনকি বড়দেরও শিশুদের সামনে সংযম বজায় রাখতে হবে
ডক্টর রাঠোর বলেন, এমনকি বড়দেরও ছোট বাচ্চাদের সামনে মোবাইল ফোনের ব্যবহার কমাতে হবে। শিশুরা বড়দের অনুকরণ করে। যদি বাবা-মা বা পরিবারের সদস্যরা একটানা ফোন ব্যবহার করেন, তাহলে শিশুও একই কথা বলবে। মোবাইলে ভিডিও, শব্দ এবং রঙিন কন্টেন্ট শিশুদের আকর্ষণ করে, যা তাদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দেয়।
মোবাইলের পরিবর্তে সময় এবং খেলনা দিন
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, শিশু যদি মোবাইলে আসক্ত হয়ে পড়ে তাহলে তার মনোযোগ অন্য কাজের দিকে সরিয়ে নেওয়া জরুরি। বাচ্চাদের সাথে সময় কাটান, তাদের সাথে খেলুন এবং তাদের অন্যান্য খেলনা দিয়ে খেলতে উত্সাহিত করুন।
আউটডোর খেলা আরও উন্নতির দিকে নিয়ে যাবে
ডাঃ দীনেশ সিং রাঠোরের মতে, বাচ্চাদের পার্কে বা বাইরে খেলার জন্য নিয়ে যাওয়া উচিত, যাতে তারা দৌড়াদৌড়ি করতে পারে এবং শারীরিক কার্যকলাপে জড়িত হতে পারে। এটি তাদের বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং মোবাইল আসক্তি প্রতিরোধ করা সম্ভব। অভিভাবকদের প্রথম থেকেই সচেতন হতে হবে, যাতে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ সুষমভাবে হতে পারে।
লেখক সম্পর্কে

আমি গত 4 বছর ধরে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি এবং বর্তমানে নিউজ 18 এ কাজ করছি। এর আগে আমি একটি MNC-তেও কাজ করেছি। আমি ইউপি, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা এবং হিমাচল প্রদেশের বিট কভার করি। খবরের পাশাপাশি আমি…আরো পড়ুন