ভারত বনাম পাক ম্যাচের খবর | আসিম মুনির- মহসিন নকভি | IND বনাম পাক ম্যাচে কেন অসীম মুনিরের নাম বিতর্কে এল, দেখুন ট্রফি চোর নকভির তোষামোদ


ভারত বনাম পাক ম্যাচের খবর: পাকিস্তান কখনই তার নোংরামি প্রদর্শন বন্ধ করে না। সেটা আন্তর্জাতিক মঞ্চ হোক বা ক্রিকেট মাঠ। এমনকি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বিবাদেও পাকিস্তান আবারও শক্তি দেখিয়েছে। ট্রফি চোর মহসিন নকভি যখন ভারত-পাক ম্যাচের রোমান্সে অসীম মুনিরের নাম টেনে নিয়েছিলেন তখন চাটুকারিতার সীমা অতিক্রম করেছিলেন। হ্যাঁ, 15 ফেব্রুয়ারি ভারতের সাথে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান। হয়। তবে এর কয়েক ঘণ্টা আগে মহসিন নকভি ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের নাম নিয়ে আরেকটি বিতর্ক সৃষ্টি করেন।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের নাটকীয়তা শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে মহসিন নকভি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের নাম নিয়ে বলেন, আমরা কারও হুমকিতে ভয় পাই না। ভারত না আইসিসি। আর অসীম মুনির কখনো ভয় পান না। পাকিস্তান সরকার তখনও ম্যাচ বয়কটের হুমকি দিচ্ছিল এমন সময় একথা বলা হয়েছিল। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর পাকিস্তান ইউ-টার্ন নেয় এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারতের বিপক্ষে দলকে খেলার অনুমতি দেয়।

‘হুমকিকে ভয় পাই না’

সংবাদ সম্মেলনে ট্রফি চোর মহসিন নকভি বলেন, ‘আমি ভারত ও আইসিসির হুমকিতে ভয় পাই না, পাকিস্তান সরকারেরও ভয় পাই না। আর ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ অসীম মুনিরের কথা জানেন, তিনি কখনো ভয় পান না। সূত্র বলছে, মহসিন নকভি ইচ্ছাকৃতভাবে সেনাপ্রধান অসীম মুনিরের নাম নিয়েছেন যাতে ক্রিকেট ইস্যুটি সেনাবাহিনী ও সরকারের মধ্যে একটি বার্তা হয়ে ওঠে। যাই হোক, মহসিন নকভি নিজেই পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাই তার বক্তব্য অসীম মুনিরের কাছে তোষামোদ মাত্র।

অসীম মুনিরের নাম কেন উঠে এল?
পাকিস্তানের মহসিন নকভি ঠিক সেভাবে অসীম মুনিরের নাম নেননি। তাকে অপারেশন সিন্দুর দ্বারা সৃষ্ট ব্যথা আড়াল করার চেষ্টা করতে দেখা গেছে। ভারত 2025 সালের মে মাসে অপারেশন সিন্দুর শুরু করে। পাহলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত পাকিস্তান এবং PoK-তে সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে হামলা চালায়। চারদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। ভারত পাকিস্তানকে অনেক ক্ষত দিয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান এটাকে নিজেদের বিজয় বলে মনে করে এবং জেনারেল আসিম মুনিরকে ফিল্ড মার্শালের সর্বোচ্চ পদ দিয়েছিল। ১৯৫৯ সালের পর কেউ এই পদমর্যাদা পায়নি। পাকিস্তান সরকার বলেছিল যে মুনিরের সাহসিকতার কারণে দেশ নিরাপদ ছিল।

নকভির চাটুকারিতা

এখন সেই মুনিরের নাম নিয়ে মহসিন নকভি দেখাতে চেয়েছেন পাকিস্তান শক্তিশালী এবং কোনো চাপে আসবে না। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর মাথা নত করে পাকিস্তান। ভারতের সঙ্গে ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেনাবাহিনীর সবচেয়ে বড় অফিসারের নাম নিয়ে নিজের শক্তি দেখাচ্ছেন মহসিন নকভি। অনেকে এটাকে সেনাবাহিনীর চাটুকারিতা বলছেন।

পাকিস্তানের ইউ-টার্ন কেন?
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এর আগে বাংলাদেশের সঙ্গে দাঁড়ানোর নামে ম্যাচ না খেলার কথা বলেছিল। এখন যখন আইসিসি তাকে ঘষে, সে তার মূল্য বুঝতে পেরেছে। আইসিসি বাংলাদেশের ওপর কোনো জরিমানা না করলেও নিজের পক্ষে রেখে পাকিস্তানকে ক্লিন বোল্ড করে। আইসিসির অনুরোধেই ভারতের সঙ্গে ম্যাচ খেলার কথা বলেছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান নিজেই। এতে লাভবান হবে ক্রিকেট। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে ফোন করেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। সংযুক্ত আরব আমিরাত আরও বলেছে যে ম্যাচ বাতিলের ফলে সবাই ক্ষতির সম্মুখীন হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *