শুধু দামি বিউটি প্রোডাক্ট নয়, এই ৩টি থেরাপিই মীরা কাপুরের ফিটনেসের আসল রহস্য; আধুনিক জীবনধারার জন্য পারফেক্ট
মীরা কাপুর সুস্থতা: আজ, মীরা রাজপুত কাপুর কেবল একজন সেলিব্রিটি স্ত্রী নয়, একজন সুস্থতা রাণীও হয়ে উঠেছেন। মীরা তার নিশ্ছিদ্র ত্বক এবং ফিট লাইফস্টাইলের জন্যও পরিচিত। লোকেরা প্রায়শই মনে করে যে তাদের উজ্জ্বলতা ব্যয়বহুল সৌন্দর্য চিকিত্সার ফলাফল, তবে মীরার দর্শন ভিন্ন। সম্প্রতি তিনি এই ধরনের তিনটি বিশেষ থেরাপির কথা উল্লেখ করেছেন, যাকে তিনি আজকের ব্যস্ত শহুরে জীবনধারার জন্য ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে বিবেচনা করেন।
আপনিও যদি দিল্লি এবং মুম্বাইয়ের মতো শহরের ব্যস্ত জীবনে নিজেকে ফিট এবং উজ্জ্বল রাখতে চান, তবে মীরা কাপুরের দ্বারা প্রস্তাবিত এই তিনটি থেরাপি আপনার জন্য খুব কার্যকর হতে পারে। আসুন তাদের সম্পর্কে জানি।
1. রেড লাইট কোলাজেন থেরাপি কি:
আজকাল দূষণ ও মানসিক চাপের কারণে মুখের উজ্জ্বলতা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। মীরা কাপুর এর জন্য লাল আলোর কোলাজেন থেরাপির পরামর্শ দিয়েছেন। এটি একটি ব্যথাহীন থেরাপি যা স্বল্প তরঙ্গদৈর্ঘ্যের লাল আলো ব্যবহার করে।
এই আলো আপনার ত্বকের ভিতরে গিয়ে ‘কোলাজেন’ তৈরিতে সাহায্য করে। কোলাজেন একই প্রোটিন যা আপনার ত্বককে তরুণ এবং দৃঢ় রাখে।
বিশেষ বিষয় হল এই থেরাপি দ্রুত সম্পন্ন হয় এবং এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আপনি যদি বলিরেখা, সূক্ষ্ম রেখা বা নিস্তেজ ত্বকে সমস্যায় থাকেন তবে এটি মীরার প্রিয় প্রতিকার।
2. অভয়ঙ্গ কি:
মীরা বরাবরই আয়ুর্বেদের বড় ভক্ত। তিনি আধুনিক জীবনে ‘অভয়ঙ্গ’ অর্থাৎ তেল মালিশকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছেন। অভ্যাঙ্গা মানে হালকা গরম আয়ুর্বেদিক তেল দিয়ে সারা শরীরে মালিশ করা। মীরা বিশ্বাস করেন যে এটি কেবল ম্যাসেজ নয়, এটি শরীর এবং মনকে সংযুক্ত করার একটি উপায়।
এটি শহুরে জীবনধারার জন্য খুব উপকারী প্রমাণিত হতে পারে। সারাদিন ল্যাপটপের সামনে বসে থাকার ফলে সৃষ্ট জড়তা এবং ক্লান্তি দূর করতে অভঙ্গের চেয়ে ভালো আর কিছু নেই।
এটি আপনার ‘নার্ভাস সিস্টেম’কে শান্ত করে এবং রাতে ভালো ঘুম পেতে সাহায্য করে। স্নান করার আগে নিজেকে 15 মিনিট সময় দিন এবং তারপর দেখুন আপনি কতটা তাজা অনুভব করছেন।
3. ক্লান্তিকে ‘বাই-বাই’ বলার জন্য ক্রায়োথেরাপি:
তৃতীয় এবং সবচেয়ে আধুনিক থেরাপি যা মীরা পছন্দ করে তা হল ক্রায়োথেরাপি। বর্তমানে এটি ক্রীড়াবিদ এবং বলিউড তারকাদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। ক্রায়োথেরাপিতে শরীরকে খুব ঠান্ডা তাপমাত্রায় (প্রায়শই মাইনাস ডিগ্রীতে) উন্মুক্ত করা হয়, কিন্তু খুব অল্প সময়ের জন্য (প্রায় 2-3 মিনিট)।
ইনস্টাগ্রামে এই পোস্টটি দেখুন