লবণের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: খাবারে বেশি লবণ খাওয়ার অসুবিধা
সর্বশেষ আপডেট:
লবণ ছাড়া খাবার সম্পূর্ণ হয় না, তাই আমাদের প্রতিদিনের খাবারে লবণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। কিন্তু এতে শরীরের কি ক্ষতি হয় তা নিয়ে অনেকেই ভাবেন না। আমাদের শরীরের সঠিক কার্যকারিতার জন্য লবণ অপরিহার্য। কিন্তু এটা যদি অতিরিক্ত বেড়ে যায়, তাহলে আমাদের কিডনির ওপর বেশি চাপ পড়ে। এভাবে চলতে থাকলে কিডনির কাজ করার ক্ষমতাও কমে যেতে পারে।

লবণ ছাড়া খাবার সম্পূর্ণ হয় না, তাই আমাদের প্রতিদিনের খাবারে লবণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। কিন্তু এতে শরীরের কি ক্ষতি হয় তা নিয়ে অনেকেই ভাবেন না। আমাদের শরীরের সঠিক কার্যকারিতার জন্য লবণ অপরিহার্য। কিন্তু এটা যদি অতিরিক্ত বেড়ে যায়, তাহলে আমাদের কিডনির ওপর বেশি চাপ পড়ে। এভাবে চলতে থাকলে কিডনির কাজ করার ক্ষমতাও কমে যেতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, কেউ যদি দিনে ৫ গ্রামের বেশি লবণ খান, তাহলে তা অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। এটি 2000 মিলিগ্রাম সোডিয়ামের সমতুল্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও একই পরামর্শ দেয়।

কেউ কেউ ভাবতে পারেন যে ‘আমি প্রতিদিন আমার খাবারে লবণ কম নিই, তাই সমস্যা নেই।’ কিন্তু শুধু ঘরের খাবারেই লবণ পাওয়া যায় না। প্যাকেটজাত খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবার বা মাংস, সয়া সস, রেস্টুরেন্টের খাবার, আলুর চিপসের মতো অনেক কিছুতেও লবণ থাকে। এই সব জিনিসে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম রয়েছে, তাই এগুলি এড়িয়ে চলা উচিত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
হিসাবে News18 যোগ করুন
Google-এ পছন্দের উৎস

শরীরে লবণের মাত্রা (বিশেষ করে সোডিয়াম) বেড়ে গেলে আমাদের কিডনি তাৎক্ষণিকভাবে টের পায় এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে তা বের করে দেয়। কিন্তু দীর্ঘদিন শরীরে অতিরিক্ত লবণ থাকলে কিডনি দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে শরীরে লবণ জমে যায়। ঝামেলা শুরু হয় এখান থেকেই।

শরীরে লবণ জমলে রক্তচাপ বাড়তে পারে। চিকিৎসকরা বলছেন, এতে স্ট্রোক, হৃদরোগ এবং পায়ের সমস্যাও হতে পারে। চিকিত্সকরা সতর্ক করেছেন যে লোকেরা কিডনির স্বাস্থ্যের উপর লবণের প্রভাবকে অবমূল্যায়ন করে। অতিরিক্ত লবণ প্রাথমিকভাবে কোনো উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে না, তবে সময়ের সাথে সাথে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

কে বেশি ঝুঁকিতে? ডায়াবেটিক রোগী, যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে, যাদের পরিবারে কারো কিডনির সমস্যা আছে এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদের সমস্যার ঝুঁকি বেশি বলে বলা হয়।

তাই, আপনার কিডনিকে সুরক্ষিত রাখতে শুধুমাত্র ঘরে তৈরি খাবার বা কম লবণ যুক্ত তাজা ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। প্যাকেটজাত খাবার থেকে দূরে থাকুন। প্রতিদিন প্রচুর পানি পান করুন।

(অস্বীকৃতি: এই নিবন্ধে দেওয়া তথ্য এবং তথ্য সাধারণ অনুমানের উপর ভিত্তি করে। হিন্দি নিউজ 18 এগুলি নিশ্চিত করে না। এগুলি বাস্তবায়নের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন।)