মসুর ডাল ভিজিয়ে রাখা: কোন মসুর ডাল কতক্ষণ ভিজিয়ে রাখতে হবে? উপকারিতা জেনে নিন

সর্বশেষ আপডেট:

কতক্ষণ ডাল ভিজিয়ে রাখতে হবে: ভেজানো ডাল নরম হয় এবং সহজে হজম হয়। এতে গ্যাস, ফোলাভাব ও বদহজমের মতো সমস্যা কমে। ডালে এমন কিছু উপাদান থাকে যা পুষ্টির শোষণ কমিয়ে দেয়। কিন্তু ডাল কয়েক ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এই উপাদানগুলো কমে যায়।

বাড়িতে মসুর ডাল তৈরির সময় অনেকেই সরাসরি কুকারে মসুর ডাল রান্না করেন। তবে ডাল আগে পানিতে ভিজিয়ে রাখা ভালো। এটি শুধুমাত্র দ্রুত রান্নার জন্য নয়, এটি স্বাস্থ্যের জন্যও খুব উপকারী।

ভেজানো ডাল নরম হয় এবং সহজে হজম হয়। এতে গ্যাস, ফোলাভাব ও বদহজমের মতো সমস্যা কমে। ডালে এমন কিছু উপাদান থাকে যা পুষ্টির শোষণ কমিয়ে দেয়। কিন্তু ডাল কয়েক ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এই উপাদানগুলো কমে যায়।

এর ফলে প্রোটিন, আয়রন ও মিনারেলের মতো পুষ্টি উপাদান সহজেই শরীরে পাওয়া যায়। এছাড়াও, ভেজানো ডাল কম সময়ে রান্না হয় যা গ্যাসও বাঁচায়। প্রতিটা ডাল একই সময় ভিজিয়ে রাখার দরকার নেই।

হিসাবে News18 যোগ করুন
Google-এ পছন্দের উৎস

খোসা ছাড়ানো ডাল যেমন মুগ ডাল, তুর ডাল, উরদ ডাল আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলেই যথেষ্ট। ছানার ডাল বা সামান্য শক্ত ডাল দুই থেকে চার ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখা ভালো। এ সময় মসুর ডাল পানি শোষণ করে নরম হয়ে যায়।

খোসা ছাড়ানো মুগ, উড়দ ও ঘোড়া ছোলা জাতীয় ডাল কমপক্ষে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। ছানা, রাজমা, কাবুলি ছানার মতো শক্ত ডাল সারারাত ভিজিয়ে রাখা ভালো। এতে করে এগুলো সম্পূর্ণ নরম হয়ে যায় এবং ভালোভাবে রান্না হয়।

কেউ কেউ মসুর ডাল ভিজানোর সময় একটি লবঙ্গ, ছোট এলাচ এবং তেজপাতা পানিতে মেশান, এতে মসুর ডালে ভালো সুগন্ধ পাওয়া যায় এবং সহজে হজম হয়। যদি দেখা যায়, ডাল ভেজানো ছোট জিনিস মনে হলেও তা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। সঠিক সময়ে ডাল ভিজিয়ে রান্না করলে ডালের স্বাদ ও পুষ্টি দুটোই বৃদ্ধি পায়।

(অস্বীকৃতি: এই নিবন্ধে দেওয়া তথ্য এবং তথ্য সাধারণ অনুমানের উপর ভিত্তি করে। হিন্দি নিউজ 18 এগুলি নিশ্চিত করে না। এগুলি বাস্তবায়নের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন।)

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *