দিনে কয়টি ডিম খাওয়া উচিত: প্রতিদিন কয়টি ডিম খাওয়া যায়, বেশি খেলে কী হবে?


সর্বশেষ আপডেট:

দিনে কয়টি ডিম খাওয়া উচিত: ডিম প্রোটিন সমৃদ্ধ। অনেকেই সকালের নাস্তায় ডিম খান। ডিম পেশী শক্তিশালীকরণ এবং মেরামতের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প। প্রোটিনের উপস্থিতির কারণে এটি চোখের জন্যও স্বাস্থ্যকর। কিন্তু, কিছু মানুষ আছেন যারা একদিনে ৪-৫টি ডিম খান। দিনে এত ডিম খাওয়া কি স্বাস্থ্যকর? প্রতিদিন কয়টি ডিম খাওয়া উচিত এবং বেশি ডিম খেলে স্বাস্থ্যের ওপর কী প্রভাব পড়বে?

দৈনিক ডিমের সীমা: ডিম সহজেই পাওয়া যায় এবং কম খরচে চমৎকার পুষ্টি প্রদান করে। খাবার হিসেবে ডিমের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে যা ছোট শিশু থেকে বয়স্ক সবাই খেতে পারে। শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন দ্রুত সরবরাহ করতে ডিম বিশেষ উপকারী। এ কারণে অনেক চিকিৎসকই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন।

ডিম আমাদের জন্য সহজলভ্য এবং সস্তা একটি পুষ্টিকর খাবার। ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সবার জন্য ডিম একটি বিশেষ স্থান রাখে। ডিম শরীরে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রোটিন সরবরাহ করতে বিশেষভাবে উপকারী, তাই অনেক চিকিৎসক প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন। প্রোটিন ছাড়াও ডিম অনেক ধরনের ভিটামিন, খনিজ এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি সমৃদ্ধ।

দৈনিক ডিমের সীমা: ডিম সহজেই পাওয়া যায় এবং কম খরচে চমৎকার পুষ্টি প্রদান করে। খাবার হিসেবে ডিমের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে যা ছোট শিশু থেকে বয়স্ক সবাই খেতে পারে। শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন দ্রুত সরবরাহ করতে ডিম বিশেষ উপকারী। এ কারণে অনেক চিকিৎসকই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন।

ডিম খেলে শরীরে শক্তি আসে এবং সারাদিনের ক্লান্তি রোধ করে। আপনি সক্রিয় থাকুন। বিশেষ করে সকালের নাস্তায় ডিম খেলে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা লাগে না। ডিমে উপস্থিত পুষ্টিগুণ হঠাৎ করে রক্তে চিনির মাত্রা বাড়ায় না, তাই ডায়াবেটিস রোগীরাও সঠিক পরিমাণে ডিম খেতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এগুলো ইনসুলিনকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।

দৈনিক ডিমের সীমা: ডিম সহজেই পাওয়া যায় এবং কম খরচে চমৎকার পুষ্টি প্রদান করে। খাবার হিসেবে ডিমের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে যা ছোট শিশু থেকে বয়স্ক সবাই খেতে পারে। শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন দ্রুত সরবরাহ করতে ডিম বিশেষ উপকারী। এ কারণে অনেক চিকিৎসকই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন।

ডিম মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। ডিমে উপস্থিত কোলিন নামক একটি পুষ্টি উপাদান স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। যেসব শিশু পড়াশোনা করে বা যাদের মানসিক কাজ বেশি। ডিম খাওয়া তাদের জন্য ভালো। এছাড়াও ডিম লিভারকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। এগুলো শরীর থেকে ক্ষতিকর জিনিস দূর করতেও সহায়ক।

হিসাবে News18 যোগ করুন
Google-এ পছন্দের উৎস

দৈনিক ডিমের সীমা: ডিম সহজেই পাওয়া যায় এবং কম খরচে চমৎকার পুষ্টি প্রদান করে। খাবার হিসেবে ডিমের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে যা ছোট শিশু থেকে বয়স্ক সবাই খেতে পারে। শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন দ্রুত সরবরাহ করতে ডিম বিশেষ উপকারী। এ কারণে অনেক চিকিৎসকই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন।

ডিম চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও খুব ভালো। ডিমে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের রেটিনাকে রক্ষা করে। এগুলো বার্ধক্যজনিত দৃষ্টি সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। ডিম ত্বক ও চুলের জন্যও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ডিমে উপস্থিত বায়োটিন এবং ভিটামিন ডি চুলের গোড়া মজবুত করে, যা চুল পড়া কমায়। ডিম ত্বককে কোমল ও উজ্জ্বল করতেও সাহায্য করে।

দৈনিক ডিমের সীমা: ডিম সহজেই পাওয়া যায় এবং কম খরচে চমৎকার পুষ্টি প্রদান করে। খাবার হিসেবে ডিমের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে যা ছোট শিশু থেকে বয়স্ক সবাই খেতে পারে। শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন দ্রুত সরবরাহ করতে ডিম বিশেষ উপকারী। এ কারণে অনেক চিকিৎসকই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন।

অনেকে মনে করেন ডিম খেলে কোলেস্টেরল বাড়ে, কিন্তু ডাক্তাররা বলছেন সঠিক পরিমাণে ডিম খেলে ভালো কোলেস্টেরল বাড়ে এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমতে পারে। ওজন কমাতে চাইলে ডিমের সাদা অংশ বেশি করে খেতে পারেন। আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান তবে আপনার ডায়েটে হলুদ অংশও অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

দৈনিক ডিমের সীমা: ডিম সহজেই পাওয়া যায় এবং কম খরচে চমৎকার পুষ্টি প্রদান করে। খাবার হিসেবে ডিমের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে যা ছোট শিশু থেকে বয়স্ক সবাই খেতে পারে। শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন দ্রুত সরবরাহ করতে ডিম বিশেষ উপকারী। এ কারণে অনেক চিকিৎসকই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন।

গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ডিম খুবই উপকারী। এগুলো শুধু মায়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিই করে না, গর্ভে সন্তানের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। সাধারণত একজন সুস্থ মানুষ দৈনিক দুটি ডিম খেতে পারেন।

দৈনিক ডিমের সীমা: ডিম সহজেই পাওয়া যায় এবং কম খরচে চমৎকার পুষ্টি প্রদান করে। খাবার হিসেবে ডিমের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে যা ছোট শিশু থেকে বয়স্ক সবাই খেতে পারে। শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন দ্রুত সরবরাহ করতে ডিম বিশেষ উপকারী। এ কারণে অনেক চিকিৎসকই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন।

যারা বেশি শারীরিক পরিশ্রম করেন তারাও তিন থেকে চারটি ডিম খেতে পারেন। বডি বিল্ডার, যারা জিমে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ওয়ার্ক আউট করেন, ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়াবিদ ইত্যাদি তাদের সাধারণ মানুষের চেয়ে বেশি ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

দৈনিক ডিমের সীমা: ডিম সহজেই পাওয়া যায় এবং কম খরচে চমৎকার পুষ্টি প্রদান করে। খাবার হিসেবে ডিমের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে যা ছোট শিশু থেকে বয়স্ক সবাই খেতে পারে। শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন দ্রুত সরবরাহ করতে ডিম বিশেষ উপকারী। এ কারণে অনেক চিকিৎসকই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন।

তেলে ভাজা ডিমের চেয়ে কম তেলে তৈরি সেদ্ধ ডিম বা অমলেট স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। সকালের নাস্তায় সেদ্ধ ডিম খেতে পারেন।

দৈনিক ডিমের সীমা: ডিম সহজেই পাওয়া যায় এবং কম খরচে চমৎকার পুষ্টি প্রদান করে। খাবার হিসেবে ডিমের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে যা ছোট শিশু থেকে বয়স্ক সবাই খেতে পারে। শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন দ্রুত সরবরাহ করতে ডিম বিশেষ উপকারী। এ কারণে অনেক চিকিৎসকই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন।

ডিম যদি সঠিকভাবে এবং সীমিত পরিমাণে খাওয়া হয়, তবে এগুলো সত্যিই স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।

বাড়িজীবনধারা

প্রতিদিন কয়টি ডিম খেতে পারেন, বেশি খেলে কী হবে? এখানে জানুন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *