জৈনপুরে কিশোরী মেয়েরা HPV টিকা পাবে, 53 হাজার কন্যাকে জরায়ুর ক্যান্সার থেকে বাঁচানোর লক্ষ্য

সর্বশেষ আপডেট:

জৌনপুর নিউজঃ ডাঃ প্রভাত কুমার জানান, চলতি মাস থেকেই জেলা হাসপাতালে টিকা দেওয়া শুরু হবে। এরপর আগামী মাস থেকে কমিউনিটি হেলথ সেন্টার (সিএইচসি) এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে (পিএইচসি) এই ক্যাম্পেইন শুরু হবে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।

জৈনপুরে, জরায়ুমুখের ক্যান্সারের মতো গুরুতর রোগ থেকে কিশোরীদের রক্ষা করতে স্বাস্থ্য দফতর একটি বিশেষ টিকা প্রচার শুরু করতে চলেছে। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় জেলার ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় ৫৩ হাজার মেয়েকে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, সময়মতো এই ভ্যাকসিন পেয়ে মেয়েরা এই বিপজ্জনক রোগ থেকে অনেকাংশে রক্ষা পাবে।

প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডাঃ প্রভাত কুমার বলেন, জরায়ু মুখের ক্যান্সার মহিলাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান ক্যান্সার রোগ, যার প্রধান কারণ হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস সংক্রমণ। এই ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণ প্রতিরোধে এইচপিভি ভ্যাকসিন খুবই কার্যকর। তিনি বলেন, সঠিক বয়সে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হলে ভবিষ্যতে জরায়ু মুখের ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।

তিনি জানান, জেলায় এ অভিযানের আওতায় প্রায় ৫৩ হাজার কিশোরীকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই প্রচারাভিযানটি শহরাঞ্চলে শুরু হয়েছে, এবং গ্রামীণ এলাকায় 1 এপ্রিল থেকে টিকা প্রচার করা হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের দলগুলি স্কুল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মাধ্যমে কিশোরী মেয়েদের এই টিকা দেবে।

ডাঃ প্রভাত কুমার জানান, চলতি মাস থেকেই জেলা হাসপাতালে টিকা দেওয়া শুরু হবে। এরপর আগামী মাস থেকে কমিউনিটি হেলথ সেন্টার (সিএইচসি) এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে (পিএইচসি) এই ক্যাম্পেইন শুরু হবে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য দফতর বলছে, এই অভিযানের উদ্দেশ্য শুধু টিকা দেওয়া নয়, মানুষকে সচেতন করাও। অভিভাবকদের বলা হচ্ছে এই টিকা তাদের মেয়েদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো টিকা নেওয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যতে মারাত্মক ঝুঁকি প্রতিরোধ করা সম্ভব।

স্বাস্থ্য আধিকারিকরা অভিভাবকদের এই টিকা প্রচারে তাদের মেয়েদের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন করেছেন। একটু সচেতনতা এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ টিকা জরায়ু মুখের ক্যান্সারের মতো বিপজ্জনক রোগ থেকে কন্যাদের রক্ষা করতে পারে। তাই সময়মতো এই পদক্ষেপ নেওয়া খুবই জরুরি, যাতে কন্যাসন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপদ ও সুস্থ করা যায়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *