খেজুরের উপকারিতা ও ওজন বাড়ানো ও দুর্বলতা দূর করার সঠিক উপায়। ওজন বৃদ্ধি এবং শক্তি বৃদ্ধির জন্য শুকনো খেজুর (চুহারা) এর উপকারিতা


সর্বশেষ আপডেট:

ওজন বৃদ্ধি এবং শক্তি বৃদ্ধির জন্য শুকনো খেজুরের (চুহারা) উপকারিতা: খেজুর একটি শক্তিশালী দেশি সুপারফুড যা রোগা, ক্লান্তি এবং দুর্বলতা দূর করতে সহায়ক। সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেলে ওজন বাড়ে এবং শরীরে প্রচুর শক্তি যোগায়।

টিপস এবং কৌশল

পরিবর্তিত জীবনধারা, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক চাপের কারণে আজ বিপুল সংখ্যক মানুষ রোগা, দুর্বলতা এবং ক্রমাগত ক্লান্তির সমস্যায় ভুগছে। কিছুক্ষণ কাজ করার পর শরীরের প্রতিক্রিয়া, শক্তির অভাব অনুভব করা এবং ওজন না বাড়া এখন একটি সাধারণ অভিযোগে পরিণত হয়েছে। এমতাবস্থায় আয়ুর্বেদ ও দেশীয় ঘরোয়া চিকিৎসায় খেজুরকে একটি সহজ কিন্তু কার্যকরী বিকল্প হিসেবে খুবই উপযোগী বলে মনে করা হয়েছে।

টিপস এবং কৌশল

খেজুর অর্থাৎ শুকনো খেজুর পুষ্টির একটি চমৎকার উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রাকৃতিক চিনি, ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং অনেক প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান এতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, যা শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত এবং সুষম পরিমাণে খেজুর খেলে শরীর ভেতর থেকে শক্তিশালী হয় এবং দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতার সমস্যা থেকে যথেষ্ট উপশম পাওয়া যায়।

টিপস এবং কৌশল

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা অতিরিক্ত পাতলা হয়ে ভুগছেন বা যাদের স্ট্যামিনার অভাব রয়েছে তাদের জন্য খেজুর খাওয়া খুবই উপকারী। এটি শরীরের রক্তস্বল্পতা দূর করতে, পেশীকে শক্তি দিতে এবং সারাদিন সক্রিয় থাকতে সহায়ক বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে মহিলা, বয়স্ক এবং যুবকদের জন্য যারা পড়াশোনা বা কাজের চাপের কারণে দ্রুত ক্লান্ত বোধ করেন, এটি একটি সহজ এবং কার্যকর ঘরোয়া বিকল্প হতে পারে।

হিসাবে News18 যোগ করুন
Google-এ পছন্দের উৎস

টিপস এবং কৌশল

খেজুর খাওয়ার পদ্ধতি খুবই সহজ এবং কার্যকরী। সনাতন পদ্ধতিতে দুইটি খেজুর নিয়ে রাতে এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। এগুলি সকালে খালি পেটে খাওয়া হয়, ভালভাবে চিবানো হয় এবং তার উপরে একই জল পান করা হয়। এটা বিশ্বাস করা হয় যে ভেজানো খেজুর খুব সহজে হজম হয় এবং শরীর আরও ভালো উপায়ে এর সম্পূর্ণ পুষ্টি পায়।

টিপস এবং কৌশল

নিয়মিত সেবন করলে শরীরে ধীরে ধীরে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়। এর কারণে মানুষ তাদের শক্তির মাত্রা আগের চেয়ে ভালো অনুভব করে, যার কারণে দুর্বলতা কমে যায় এবং শরীর অভ্যন্তরীণভাবে শক্তিশালী হতে শুরু করে। অনেকে এটিকে ওজন বাড়ানোর জন্য অত্যন্ত উপকারী বলেও মনে করেন, কারণ এতে উপস্থিত প্রাকৃতিক উপাদান শরীরে সঠিক পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে।

টিপস এবং কৌশল

খেজুর সবসময় সুষম পরিমাণে খাওয়া উচিত। কারণ এর প্রকৃতি গরম। এটি অতিরিক্ত পরিমাণে সেবন শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপ বাড়াতে পারে। যা হজম বা ত্বক সংক্রান্ত সমস্যা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের এটি খাওয়ার আগে সতর্ক হওয়া উচিত। আর চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো। একইভাবে, যাদের শারীরিক প্রকৃতি (তাসির) ইতিমধ্যে গরম তাদেরও এটি সীমিত পরিমাণে ব্যবহার করা উচিত।

টিপস এবং কৌশল

দুর্বল শরীরের জন্য খেজুরকে শক্তির দেশীয় ধন বলা যেতে পারে। যদি এটি সঠিক পরিমাণে, সঠিক উপায়ে এবং নিয়মিত রুটিনের সাথে খাওয়া হয় তবে এটি স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়ক প্রমাণিত হতে পারে।

বাড়িজীবনধারা

স্বাস্থ্য টিপস: আপনিও কি আপনার ওজন বৃদ্ধির অভাব নিয়ে অসন্তুষ্ট? এই বিশেষ উপায়ে খেজুর খান



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *