কারি পাত্তার উপকারিতা: শুধু স্বাদ বাড়ায় না… কারি পাত্তা স্বাস্থ্যের জন্য একটি ধন, আয়ুর্বেদের এই পাচক টনিক – উত্তরাখণ্ড সংবাদ

সর্বশেষ আপডেট:

কারি পাতার স্বাস্থ্য উপকারিতা: কারি পাতা পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। পেটের সমস্যা কমায়। এর সেবন গ্যাস, বদহজম এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যার জন্য একটি ওষুধ। সকালে খালি পেটে কারি পাতা চিবিয়ে খেলে পেট পরিষ্কার থাকে। লোকাল 18-এর সাথে কথা বলে, ঋষিকেশের একজন আয়ুশ চিকিৎসক ডাঃ রাজকুমার বলেন, কারি পাতায় উপস্থিত ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে। আয়ুর্বেদে একে পাচক টনিক বলা হয়। এটি টাইপ 2 ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও কমায়।

কারিপাতার উপকারিতা

কারি পাতা ভারতীয় রান্নাঘরের একটি সাধারণ কিন্তু খুব বিশেষ অংশ। প্রায়শই লোকেরা টেম্পারিংয়ের পরে প্লেট থেকে এটি আলাদা করে দেয়, যেখানে এটির মধ্যে লুকিয়ে থাকে স্বাস্থ্যের ধন। আয়ুর্বেদে কারি পাতাকে ঔষধি গুণে পরিপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এতে উপস্থিত ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে। সঠিক পরিমাণে এবং সঠিক উপায়ে ব্যবহার করলে অনেক রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

কারিপাতার উপকারিতা

লোকাল 18-এর সাথে কথা বলে, ঋষিকেশের একজন আয়ুশ চিকিৎসক ডাঃ রাজকুমার বলেছেন যে কারি পাতা পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে উপস্থিত ফাইবার এবং কার্বোহাইড্রেট পেটের সমস্যা কমায়। গ্যাস, বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যায় এর সেবন উপকারী। সকালে খালি পেটে কারি পাতা চিবিয়ে খেলে পেট পরিষ্কার থাকে এবং হজমশক্তি ভালো হয়। এই কারণেই এটি আয়ুর্বেদে হজমের টনিক হিসাবেও ব্যবহৃত হয়।

কারিপাতার উপকারিতা

কারি পাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আশীর্বাদের চেয়ে কম নয়। এতে উপস্থিত উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কারি পাতা ইনসুলিনের কার্যকলাপকে উন্নত করে, যার ফলে চিনির ভারসাম্য বজায় থাকে। প্রতিদিন সীমিত পরিমাণে এটি খাওয়ার মাধ্যমে, টাইপ 2 ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করা যায়। তবে নিয়মিত ওষুধের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শও প্রয়োজন।

হিসাবে News18 যোগ করুন
Google-এ পছন্দের উৎস

কারিপাতার উপকারিতা

চুলের সমস্যায়ও কারি পাতা খুবই উপকারী। চুল পড়া, ধূসর হওয়া এবং শুষ্কতার মতো সমস্যায় এটি ব্যবহার করা হয়। কারি পাতায় উপস্থিত প্রোটিন এবং বিটা ক্যারোটিন চুলের গোড়া মজবুত করে। নারকেল তেলে কারি পাতা সিদ্ধ করে লাগালে চুলের বৃদ্ধি ভালো হয়। এই কারণে এটি অনেক ভেষজ চুলের তেলে ব্যবহৃত হয়।

কারিপাতার উপকারিতা

কারি পাতা হার্টকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক। এতে হার্ট অ্যাটাক এবং রক্তচাপের মতো সমস্যার ঝুঁকি কমে। কারি পাতা ধমনীতে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। নিয়মিত এবং সুষম খাদ্যের সাথে এটি খাওয়া হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

কারিপাতার উপকারিতা

যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য কারি পাতা একটি প্রাকৃতিক বিকল্প হিসাবে বিবেচিত হয়। এটি শরীরের মেটাবলিজমকে ত্বরান্বিত করে এবং চর্বি জমতে বাধা দেয়। সকালে খালি পেটে কারি পাতা চিবিয়ে খেলে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এতে অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস কমে যায়। এটি শরীর থেকে টক্সিন অপসারণ করতে সাহায্য করে, যা ওজন কমানোর প্রক্রিয়াটিকে সহজ করে তোলে।

কারিপাতার উপকারিতা

ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতেও কারি পাতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, সি এবং আয়রন পাওয়া যায়। এই উপাদানগুলি শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি দেয়। পরিবর্তিত আবহাওয়ার কারণে সর্দি, কাশি এবং দুর্বলতা প্রতিরোধে কারি পাতা সাহায্য করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত করলে শরীর ভেতর থেকে শক্তিশালী থাকে।

বাড়িজীবনধারা

কারি পাতা শুধু স্বাদ বাড়ায় না… কারি পাতা একটি ধন, আয়ুর্বেদের এই পাচক টনিক

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *