এই ৫টি ফল খেলে অ্যাসিডিটি বাড়ে, খাওয়ার সময় এই সাবধানতা অবলম্বন করুন


আজকের লাইফস্টাইলের কারণে পেট সংক্রান্ত রোগ সব বয়সের মানুষকেই কষ্ট দিতে শুরু করেছে। যেকোনো কিছু খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই গ্যাস, পেট ফাঁপা এবং হালকা পেট ব্যথার অভিযোগ দেখা যায়। পেটের হজমের আগুনকে প্রশমিত করতে মানুষ ঠাণ্ডা ফল খেয়ে থাকেন, কিন্তু অনেক সময় ফল খাওয়ার পরও পেটের জ্বালাপোড়া ও অ্যাসিডিটি বাড়তে থাকে, কিন্তু কেন?

পেট ঠান্ডা করতে এবং জ্বালাপোড়া থেকে রক্ষা করতে সঠিক ফল খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। খুব কম মানুষই জানেন যে ফলগুলিও অ্যাসিডিটির কারণ। কিছু ফল উচ্চ পরিমাণে সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে, যা খেলে গ্যাস এবং বুকজ্বালা হয়। আজ আমরা এমন কিছু ফল সম্পর্কে তথ্য নিয়ে এসেছি, যা অল্প পরিমাণে খাওয়া উচিত।

কমলা- কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে, যা অতিরিক্ত খেলে অ্যাসিড রিফ্লাক্স এবং বুকজ্বালা হতে পারে। তাই পেট সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগলে কমলা খাওয়া কমিয়ে দিন।

লেবু- লেবুতে সাইট্রিক অ্যাসিড বেশি থাকে, যা বুকজ্বালা সৃষ্টি করে এবং গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডের উৎপাদন বাড়ায়, বিশেষ করে খালি পেটে। তাই সীমিত পরিমাণে লেবু খান।

আনারস- আনারসের গুণাগুণ অম্লীয় ও তীক্ষ্ণ এবং এটি খেলে পিত্তশক্তি বৃদ্ধি পায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনি যদি অন্ত্রের সমস্যায় ভুগছেন, তবে আনারস খাওয়া এড়িয়ে চলুন কারণ আনারসে উপস্থিত এনজাইম এবং অ্যাসিডগুলি সংবেদনশীল অন্ত্রের আস্তরণকে জ্বালাতন করতে পারে।

কাঁচা আম- কাঁচা আম অম্লীয় এবং ভারী প্রকৃতির। এটি হজম করতে পেটকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। এর সেবনে কফ ও বাত বৃদ্ধি পায়। বদহজমের সমস্যাও হতে পারে। পঞ্চম হল টক আঙ্গুর। টক আঙুরের গুণাগুণ অম্লীয় এবং পিত্ত বাড়ায়, এমন অবস্থায় পেট ফাঁপা ও গ্যাস তৈরির সমস্যা হতে পারে, তাই হজমশক্তি ধীর হলে আঙুর বা টক ফল সীমিত পরিমাণে খান।

এ ছাড়া, পেয়ারা বীজের সাথে খাওয়া হলে তা হজমেও ব্যাঘাত ঘটায়। বীজ সহ পেয়ারা খেলে পেট ফাঁপা হতে পারে। সেইসাথে, বেরি এবং বেরি এর ব্যবহারও এড়িয়ে চলতে হবে। আয়ুর্বেদ অনুসারে, টক ও তিক্ত ফল পিত্ত বাড়ায় এবং অগ্নিকে দুর্বল করে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *