আপনি কি ডিম পছন্দ করেন? আগে জেনে নিন অতিরিক্ত খাওয়ার এই ৮টি বড় অসুবিধা, না হলে ডিম আপনার স্বাস্থ্যের জন্য বড় ধাক্কা দিতে পারে।

সর্বশেষ আপডেট:

ডিম প্রোটিন এবং পুষ্টির একটি ভাল উত্স হিসাবে বিবেচিত হয়, তাই অনেকে এটিকে তাদের খাদ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ করে তোলে। তবে যে কোনো কিছুর অতিরিক্ত সেবন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ডিমের অতিরিক্ত সেবনে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি, হজমের সমস্যা, অ্যালার্জি এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। তাই ডিম সবসময় সুষম ও সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

উচ্চ কোলেস্টেরল

বর্তমানে অনেকেই ডিম খেতে পছন্দ করেন। প্রচুর প্রোটিনের জন্য অনেক যুবক এটি গ্রহণ করে। ডিম শরীরের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়, কিন্তু আপনি কি জানেন যে এর অতিরিক্ত সেবন ক্ষতির কারণও হতে পারে? ডিমের কুসুম অর্থাৎ হলুদ অংশে উচ্চ পরিমাণে কোলেস্টেরল থাকে, যা হার্টের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করতে পারে। এটি অতিরিক্ত পরিমাণে সেবন করলে কোলেস্টেরলের ঝুঁকি বাড়ে।

হার্টের সমস্যা

অনেক বেশি ডিম খেলে শরীরে স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে যায়, যা হৃদরোগের কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত কোলেস্টেরল হার্ট সম্পর্কিত অনেক রোগের জন্ম দিতে পারে। তথ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত পরিমাণে ডিম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।

হজম সমস্যা

আপনি কি জানেন অতিরিক্ত ডিম খাওয়ার ফলে পেট সংক্রান্ত নানা সমস্যা হতে পারে? অনেক বেশি ডিম খাওয়া পরিপাকতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে। তথ্য অনুযায়ী, এটি অতিরিক্ত পরিমাণে সেবন করলে গ্যাস, বদহজম, ফোলাভাব এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সেবনেও ডায়রিয়া হতে পারে।

হিসাবে News18 যোগ করুন
Google-এ পছন্দের উৎস

স্থূলতা

ডিম স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, তবে এর অতিরিক্ত সেবন রোগকেও আমন্ত্রণ জানাতে পারে। আপনি কি জানেন যে অনেক বেশি ডিম খেলে স্থূলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে? ডিমে যথেষ্ট পরিমাণে ক্যালোরি এবং চর্বি থাকে, যা অতিরিক্ত খাওয়া হলে ওজন বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে। তাই ডিম সবসময় সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

এলার্জি

ডিমের অতিরিক্ত সেবন শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কখনও কখনও এটি কিছু মানুষের অ্যালার্জির সমস্যাও সৃষ্টি করে। ডিমকে প্রকৃতিতে গরম বলে মনে করা হয়, যা পেটে অ্যালার্জি, ত্বকের প্রতিক্রিয়া বা বমি হতে পারে। তথ্য অনুযায়ী, কিছু মানুষের ডিমে অ্যালার্জি থাকে, যার কারণে ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্ট বা পেটে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অবশ্যই নিকটস্থ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সালমোনেলা সংক্রমণ

কখনও কখনও ডিম খাওয়ার কারণে একজন ব্যক্তির বমি হতে পারে। বিশেষ করে মানুষ যখন কাঁচা বা কম সিদ্ধ ডিম খায়, তখন খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। কাঁচা ডিমে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে, যা মারাত্মক খাদ্য বিষক্রিয়া ঘটায়। এই ধরনের অবস্থাকে সালমোনেলা সংক্রমণ বলা হয়, যা বমি, ডায়রিয়া এবং পেটে ব্যথার মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে।

pimples

অতিরিক্ত ডিম খেলে ত্বক সংক্রান্ত সমস্যা বাড়তে পারে। ডিমকে প্রকৃতিতে গরম বলে মনে করা হয়, তাই বেশি পরিমাণে খেলে কিছু মানুষের ত্বকে ফোঁড়া বা ব্রণ হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে, অত্যধিক সেবন হরমোনের ভারসাম্যহীনতাকে উন্নীত করতে পারে, যা মুখে ব্রণের সমস্যা হতে পারে। তাই ডিম সবসময় সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

কিডনি সমস্যা

ডিমের অত্যধিক ব্যবহার শরীরে প্রোটিন সরবরাহ করতে পারে, তবে অতিরিক্ত সেবন ক্ষতিও করতে পারে। বেশি প্রোটিনের লোভে ডিম বেশি খাওয়ার ফলে কিডনির ওপর চাপ পড়ে, যা কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে কিডনি রোগীদের জন্য, খুব বেশি প্রোটিন গ্রহণ করা উপযুক্ত বলে মনে করা হয় না, কারণ এটি কিডনির উপর অতিরিক্ত বোঝা ফেলতে পারে। কিডনি বা অন্য কোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ডিম খাওয়া উচিত নয়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *